লাক্স সুপারস্টার ২০২৫-এর মঞ্চে শিরোপা না জিতলেও দর্শকের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন নুসরাত আফরিন ইয়ুমনা। আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব আর স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়ে খুব অল্প সময়েই পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। এবার রিয়েলিটি শোর গণ্ডি পেরিয়ে অভিনয়ের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন এই তরুণী।
প্রথমবারের মতো ছোটপর্দায় দেখা গেল ইয়ুমনাকে। ‘মনের মাঝে তুমি’ শিরোনামের নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয়েছে তার। নাটকটিতে ইয়ুমনার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সাদ নাওভী। নাটকটি রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু এবং যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র।
ইতোমধ্যে গত ২২ মে বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে চ্যানেল আই-এ নাটকটি প্রচার হয়েছে। শিগগিরই এটি চ্যানেল আই প্রাইমের ইউটিউব চ্যানেলেও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
শিরোপা না পেলেও দর্শকের ভালোবাসাকেই নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করেন ইয়ুমনা। সেই জনপ্রিয়তাকেই এবার কাজে লাগাচ্ছেন অভিনয়ের নতুন যাত্রায়। প্রথম নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, “‘মনের মাঝে তুমি’ আমার প্রথম নাটক। নতুন হিসেবে শুরুতে একটু নার্ভাস ছিলাম। তবে নাওভী ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করে অনেক ভালো লেগেছে। তিনি খুবই সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। আমি একদম নতুন হওয়ায় অভিনয়ের পুরো সময়টাতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন।”
নাটকের গল্প প্রসঙ্গে ইয়ুমনা জানান, এটি একটি হালকা রোমান্টিক গল্প। যেখানে এক তরুণ প্রথম দেখাতেই একটি মেয়েকে ভালোবেসে ফেলে। তাদের মধ্যে প্রচলিত অর্থে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি না হলেও ছেলেটির মনে মেয়েটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার ইচ্ছা জন্ম নেয়।
তবে গল্পটি শুধু ছেলের দৃষ্টিভঙ্গিতে আটকে নেই। এখানে মেয়েটির ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। ইয়ুমনার ভাষ্য, বর্তমান সময়ে অনেক মেয়েই বিয়েকে পরাধীনতা হিসেবে দেখেন। কারণ তাদের নিজের স্বপ্ন, উচ্চশিক্ষা কিংবা ক্যারিয়ার নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে মানসিকতা না মেলা বা রক্ষণশীল চিন্তার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক হলে সেই স্বপ্নগুলো বাধাগ্রস্ত হওয়ার ভয় কাজ করে। আর সেখান থেকেই বিয়ে নিয়ে অনীহা তৈরি হয়।
তবে ‘মনের মাঝে তুমি’ নাটকে সেই চেনা বাস্তবতার বাইরে গিয়ে ভালোবাসাকে দায়িত্ব, বোঝাপড়া ও সম্মানের জায়গা থেকে দেখানো হয়েছে। গল্পটি বলতে চেয়েছে, সঠিক মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে পারলে সম্পর্ক কখনো পরাধীনতা নয়, বরং জীবনকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে।
নির্মাতাদের আশা, রোমান্টিক ঘরানার এই নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে। আর প্রথম নাটক দিয়েই ইয়ুমনার অভিনয়যাত্রা দর্শকমহলে ইতোমধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।
.png)
রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
লাক্স সুপারস্টার ২০২৫-এর মঞ্চে শিরোপা না জিতলেও দর্শকের হৃদয়ে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন নুসরাত আফরিন ইয়ুমনা। আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব আর স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়ে খুব অল্প সময়েই পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। এবার রিয়েলিটি শোর গণ্ডি পেরিয়ে অভিনয়ের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন এই তরুণী।
প্রথমবারের মতো ছোটপর্দায় দেখা গেল ইয়ুমনাকে। ‘মনের মাঝে তুমি’ শিরোনামের নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হয়েছে তার। নাটকটিতে ইয়ুমনার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সাদ নাওভী। নাটকটি রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু এবং যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ আহমেদ রানা ও সুব্রত মিত্র।
ইতোমধ্যে গত ২২ মে বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে চ্যানেল আই-এ নাটকটি প্রচার হয়েছে। শিগগিরই এটি চ্যানেল আই প্রাইমের ইউটিউব চ্যানেলেও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
শিরোপা না পেলেও দর্শকের ভালোবাসাকেই নিজের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করেন ইয়ুমনা। সেই জনপ্রিয়তাকেই এবার কাজে লাগাচ্ছেন অভিনয়ের নতুন যাত্রায়। প্রথম নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, “‘মনের মাঝে তুমি’ আমার প্রথম নাটক। নতুন হিসেবে শুরুতে একটু নার্ভাস ছিলাম। তবে নাওভী ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করে অনেক ভালো লেগেছে। তিনি খুবই সহযোগিতাপূর্ণ ছিলেন। আমি একদম নতুন হওয়ায় অভিনয়ের পুরো সময়টাতে আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন।”
নাটকের গল্প প্রসঙ্গে ইয়ুমনা জানান, এটি একটি হালকা রোমান্টিক গল্প। যেখানে এক তরুণ প্রথম দেখাতেই একটি মেয়েকে ভালোবেসে ফেলে। তাদের মধ্যে প্রচলিত অর্থে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি না হলেও ছেলেটির মনে মেয়েটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার ইচ্ছা জন্ম নেয়।
তবে গল্পটি শুধু ছেলের দৃষ্টিভঙ্গিতে আটকে নেই। এখানে মেয়েটির ভাবনাকেও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। ইয়ুমনার ভাষ্য, বর্তমান সময়ে অনেক মেয়েই বিয়েকে পরাধীনতা হিসেবে দেখেন। কারণ তাদের নিজের স্বপ্ন, উচ্চশিক্ষা কিংবা ক্যারিয়ার নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে মানসিকতা না মেলা বা রক্ষণশীল চিন্তার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক হলে সেই স্বপ্নগুলো বাধাগ্রস্ত হওয়ার ভয় কাজ করে। আর সেখান থেকেই বিয়ে নিয়ে অনীহা তৈরি হয়।
তবে ‘মনের মাঝে তুমি’ নাটকে সেই চেনা বাস্তবতার বাইরে গিয়ে ভালোবাসাকে দায়িত্ব, বোঝাপড়া ও সম্মানের জায়গা থেকে দেখানো হয়েছে। গল্পটি বলতে চেয়েছে, সঠিক মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে পারলে সম্পর্ক কখনো পরাধীনতা নয়, বরং জীবনকে আরও সুন্দর করে তুলতে পারে।
নির্মাতাদের আশা, রোমান্টিক ঘরানার এই নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে। আর প্রথম নাটক দিয়েই ইয়ুমনার অভিনয়যাত্রা দর্শকমহলে ইতোমধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন