যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে 'সিরিজ খাল' পুনঃখনন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী খালের মাটি কেটে খনন কাজের সূচনা করেন এবং খালের তীরবর্তী অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ করেন। এসময় তিনি বলেন, ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি পুনঃখনন করা হলে স্থানীয় ১৭টি গ্রামের কৃষকদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার অবসান ঘটবে, যা সরাসরি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের 'অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি'র আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রায় ৭৭ লক্ষ ১৯ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ে এই খনন কাজে স্থানীয় শ্রমিকদের দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিয়োজিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, খনন কাজ শেষ হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।
.png)
শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে 'সিরিজ খাল' পুনঃখনন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী খালের মাটি কেটে খনন কাজের সূচনা করেন এবং খালের তীরবর্তী অঞ্চলে বৃক্ষরোপণ করেন। এসময় তিনি বলেন, ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি পুনঃখনন করা হলে স্থানীয় ১৭টি গ্রামের কৃষকদের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার অবসান ঘটবে, যা সরাসরি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের 'অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচি'র আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রায় ৭৭ লক্ষ ১৯ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ে এই খনন কাজে স্থানীয় শ্রমিকদের দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিয়োজিত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, খনন কাজ শেষ হলে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন