যশোরের মণিরামপুরে মোঃ ফিরোজ হোসেন (৩২) নামে এক বিদেশ ফেরত মাইক্রো চালক যুবকের আত্মহত্যার ঘঠনা ঘঠেছে।
মৃত ফিরোজ হোসেন উপজেলার মুন্সিখানপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও পেশায় একজন প্রাইভেট চালক ছিলেন।
স্থানীয়দের তথ্যমতে,রবিবার সন্ধা ৭টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় নির্জনে কখন হয়তো ঘরে বিদ্যুতের তার গলায় পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। স্থানীয়রা টের পেয়ে ধরাধরি করে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
মৃতের স্বজনার জানান,সম্প্রতী বিদেশ থেকে দেশে এসে মাইক্রোবাসের চালক হিসাবে জীবিকানির্বাহ করতো ফিরোজ। এর আগে প্রাইভেট কারের চালক ছিলো। বিদেশে যাওয়ার সময় বিভিন্ন মাধ্যমে ধারদেনা করে টাকা মেনেজ করেছিলো ফিরোজ। হয়তো সে সমস্ত মানষিক চিন্তার বশবর্তী হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেই সে।তার অকাল মৃত্যুতে আত্মীয়স্বজন ও বাড়ির এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃত দেহের আইনি প্রক্রিয়া চলমান ছিলো।
.png)
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যশোরের মণিরামপুরে মোঃ ফিরোজ হোসেন (৩২) নামে এক বিদেশ ফেরত মাইক্রো চালক যুবকের আত্মহত্যার ঘঠনা ঘঠেছে।
মৃত ফিরোজ হোসেন উপজেলার মুন্সিখানপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও পেশায় একজন প্রাইভেট চালক ছিলেন।
স্থানীয়দের তথ্যমতে,রবিবার সন্ধা ৭টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকায় নির্জনে কখন হয়তো ঘরে বিদ্যুতের তার গলায় পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। স্থানীয়রা টের পেয়ে ধরাধরি করে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
মৃতের স্বজনার জানান,সম্প্রতী বিদেশ থেকে দেশে এসে মাইক্রোবাসের চালক হিসাবে জীবিকানির্বাহ করতো ফিরোজ। এর আগে প্রাইভেট কারের চালক ছিলো। বিদেশে যাওয়ার সময় বিভিন্ন মাধ্যমে ধারদেনা করে টাকা মেনেজ করেছিলো ফিরোজ। হয়তো সে সমস্ত মানষিক চিন্তার বশবর্তী হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেই সে।তার অকাল মৃত্যুতে আত্মীয়স্বজন ও বাড়ির এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মৃত দেহের আইনি প্রক্রিয়া চলমান ছিলো।
.png)
আপনার মতামত লিখুন