সার্চ টুডে

যুদ্ধবিরতির স্বস্তি:

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আপন ঠিকানায় ফিরছেন লেবানিজরা



ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আপন ঠিকানায় ফিরছেন লেবানিজরা
ছবি - রইটর্স


ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এই সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পরপরই দেশটির রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চল এবং অন্যান্য শহর-গ্রামের বাস্তুচ্যুত মানুষ নিজদের ভিটেমাটির টানে ফিরতে শুরু করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ খবর নিশ্চিত করেছে।

​রাজপথে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

​শুক্রবার ভোর হতেই দেখা গেছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। মাউন্ট লেবানন থেকে বৈরুত হয়ে দক্ষিণ লেবাননের দিকে যাওয়ার উপকূলীয় মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে। পরিবার-পরিজন আর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে গাড়িতে করে নিজ শহরের দিকে ছুটছেন ঘরছাড়া মানুষগুলো। বিশেষ করে সিডন ও টায়ারের সংযোগকারী সড়কগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকলেও মানুষের চোখে-মুখে ছিল ফেরার আনন্দ।

​বিজয় উল্লাস ও স্বস্তি

​যুদ্ধবিধ্বস্ত ঘরবাড়ি আর অনিশ্চয়তা পেছনে ফেলে ফেরার পথে অনেককেই গাড়ির জানালা দিয়ে বিজয়ের চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়। টানা কয়েক সপ্তাহের বোমাবর্ষণ আর সংঘাতের বিভীষিকা কাটিয়ে সাময়িক এই শান্তিতে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তবে বাড়ি ফেরার এই আনন্দ ছাপিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে দুশ্চিন্তা—ফিরে গিয়ে নিজেদের ঘরবাড়ি অক্ষত পাবেন কি না, তা নিয়ে।

​চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

​যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আপাতত গোলাগুলি থামলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সংঘাতের ফলে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের পুনর্বাসন এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া জনপদ পুনর্গঠন করাই এখন লেবানন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

​নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লেবাননের সেনাবাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সার্চ টুডে

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬


ধ্বংসস্তূপের মাঝেও আপন ঠিকানায় ফিরছেন লেবানিজরা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image


ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এই সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পরপরই দেশটির রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চল এবং অন্যান্য শহর-গ্রামের বাস্তুচ্যুত মানুষ নিজদের ভিটেমাটির টানে ফিরতে শুরু করেছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ খবর নিশ্চিত করেছে।

​রাজপথে যানবাহনের দীর্ঘ সারি

​শুক্রবার ভোর হতেই দেখা গেছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। মাউন্ট লেবানন থেকে বৈরুত হয়ে দক্ষিণ লেবাননের দিকে যাওয়ার উপকূলীয় মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ জট তৈরি হয়েছে। পরিবার-পরিজন আর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র নিয়ে গাড়িতে করে নিজ শহরের দিকে ছুটছেন ঘরছাড়া মানুষগুলো। বিশেষ করে সিডন ও টায়ারের সংযোগকারী সড়কগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগে থাকলেও মানুষের চোখে-মুখে ছিল ফেরার আনন্দ।

​বিজয় উল্লাস ও স্বস্তি

​যুদ্ধবিধ্বস্ত ঘরবাড়ি আর অনিশ্চয়তা পেছনে ফেলে ফেরার পথে অনেককেই গাড়ির জানালা দিয়ে বিজয়ের চিহ্ন দেখাতে দেখা যায়। টানা কয়েক সপ্তাহের বোমাবর্ষণ আর সংঘাতের বিভীষিকা কাটিয়ে সাময়িক এই শান্তিতে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তবে বাড়ি ফেরার এই আনন্দ ছাপিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে দুশ্চিন্তা—ফিরে গিয়ে নিজেদের ঘরবাড়ি অক্ষত পাবেন কি না, তা নিয়ে।

​চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে

​যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় আপাতত গোলাগুলি থামলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সংঘাতের ফলে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাস্তুচ্যুত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের পুনর্বাসন এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়া জনপদ পুনর্গঠন করাই এখন লেবানন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

​নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে লেবাননের সেনাবাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


সার্চ টুডে

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজাম্মুল হোসেন
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হুমায়ূন কবীর
লিগ্যাল এডভাইজার: সৌরভ গাঙ্গুলি
উপদেষ্টা: সাজ্জাদ আলম খান সজল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সার্চটুডে