যশোরের মনিরামপুরে একটি ধানখেত থেকে আহত অবস্থায় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির একটি
এশীয় শামুকখোল’ (Asian Openbill) পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার‘ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ’ (WSRTBD)-এর সদস্যরা পাখিটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার একটি ধানখেতে পাখিটিকে ডানা ভাঙা ও অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ-এর স্বেচ্ছাসেবী মো. জোবায়ের হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাখিটিকে উদ্ধার করেন। এরপর তিনি নিজ উদ্যোগে পাখিটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।
পরদিন পাখিটি কিছুটা সুস্থ হলে সেটিকে খুলনা রেঞ্জের বনবিভাগের কর্মকর্তা এইচ এম কামরুজ্জামান-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরকালে বন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, "পাখিটিকে বর্তমানে আমাদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। এটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে আমরা সেটিকে তার উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করব।"
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী এই প্রজাতিটি সংরক্ষিত। এই পাখি ধরা, শিকার করা, নিজের দখলে রাখা কিংবা ক্রয়-বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই ধরনের বন্যপ্রাণী রক্ষা করা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব।
উদ্ধারকারী টিমের সদস্যরা জানান, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারী এই পরিযায়ী ও স্থানীয় পাখিদের রক্ষায় তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা সাধারণ মানুষকে বন্যপ্রাণীর প্রতি সদয় হওয়ার এবং কোনো আহত বন্যপ্রাণী দেখলে বনবিভাগ বা রেসকিউ টিমকে জানানোর অনুরোধ করেন।
.png)
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের মনিরামপুরে একটি ধানখেত থেকে আহত অবস্থায় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির একটি
এশীয় শামুকখোল’ (Asian Openbill) পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার‘ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ’ (WSRTBD)-এর সদস্যরা পাখিটিকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার একটি ধানখেতে পাখিটিকে ডানা ভাঙা ও অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশ-এর স্বেচ্ছাসেবী মো. জোবায়ের হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাখিটিকে উদ্ধার করেন। এরপর তিনি নিজ উদ্যোগে পাখিটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।
পরদিন পাখিটি কিছুটা সুস্থ হলে সেটিকে খুলনা রেঞ্জের বনবিভাগের কর্মকর্তা এইচ এম কামরুজ্জামান-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরকালে বন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, "পাখিটিকে বর্তমানে আমাদের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। এটি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে আমরা সেটিকে তার উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করব।"
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী এই প্রজাতিটি সংরক্ষিত। এই পাখি ধরা, শিকার করা, নিজের দখলে রাখা কিংবা ক্রয়-বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই ধরনের বন্যপ্রাণী রক্ষা করা আমাদের সবার নাগরিক দায়িত্ব।
উদ্ধারকারী টিমের সদস্যরা জানান, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাকারী এই পরিযায়ী ও স্থানীয় পাখিদের রক্ষায় তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা সাধারণ মানুষকে বন্যপ্রাণীর প্রতি সদয় হওয়ার এবং কোনো আহত বন্যপ্রাণী দেখলে বনবিভাগ বা রেসকিউ টিমকে জানানোর অনুরোধ করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন