হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ, ইরানের সমুদ্র বন্দরগুলো অবরোধ থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে তেহরানের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরমধ্যে এবার ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে এমন প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করেছে ওয়াশিংটন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরান যাতে অবৈধভাবে অর্থ উৎপাদন বা লেনদেন করতে না পারে, সেজন্য আমেরিকা পদ্ধতিগতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ৩৪৪ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্কট বেসেন্ট কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের অর্থ স্থানান্তর বা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সব পথ বন্ধ করতে ট্রেজারি বিভাগ বদ্ধপরিকর। একদিকে ওয়াশিংটন যখন ইরানে আর্থিক অবরোধ কঠোর করছে, অন্যদিকে আলোচনার পথও খোলা রাখছে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, শান্তি আলোচনা করতে ইতোমধ্যে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি। ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি। অন্যদিকে পাকিস্তানের উদ্দেশে শনিবার রওনা দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলও।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলা হয়েছে, প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করলেও দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
.png)
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ, ইরানের সমুদ্র বন্দরগুলো অবরোধ থেকে শুরু করে বিভিন্নভাবে তেহরানের অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরমধ্যে এবার ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে এমন প্রায় ৩৪৪ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করেছে ওয়াশিংটন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া ওই বিবৃতিতে তিনি জানান, তেহরান যাতে অবৈধভাবে অর্থ উৎপাদন বা লেনদেন করতে না পারে, সেজন্য আমেরিকা পদ্ধতিগতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এর ফলে ৩৪৪ মিলিয়ন ডলারের সম্পদ এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্কট বেসেন্ট কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের অর্থ স্থানান্তর বা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার সব পথ বন্ধ করতে ট্রেজারি বিভাগ বদ্ধপরিকর। একদিকে ওয়াশিংটন যখন ইরানে আর্থিক অবরোধ কঠোর করছে, অন্যদিকে আলোচনার পথও খোলা রাখছে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, শান্তি আলোচনা করতে ইতোমধ্যে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি। ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি। অন্যদিকে পাকিস্তানের উদ্দেশে শনিবার রওনা দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলও।
তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবির এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলা হয়েছে, প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করলেও দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।
.png)
আপনার মতামত লিখুন