বিএনপি দেশের এমন একটি রাজনৈতিকভাবে দল, যার জনপ্রিয়তা কখনো কমেনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এ দলের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালে। ক্ষমতার উচ্চ শিখরে অবস্থান করে দেশের সম্মানিত মেধাবী ব্যক্তিদের এক জায়গায় এনে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গড়ে তুলতে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার গণতান্ত্রিক চর্চা, বহুদলীয় গণতন্ত্রসহ দেশের মানুষের কল্যাণে এক মহান ব্রত নিয়ে তিনি নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে রাত-দিন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছেন
খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নারীর ক্ষমতায়ন, খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করা মহিলাদের স্বাবলম্বী করা— এক কথায় দেশের উন্নয়নে পুরুষের পাশাপাশি মা-বোনদের হাঁস মুরগি পালনসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করে দেশকে অসীম উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়ে সফল হয়েছিলেন।
দেশের অগ্রগতি ও কল্যাণের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তিনি সার্ক গঠনে উৎসাহিত হয়েছিলেন। তিনি বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন বাংলাদেশকে সর্বদিক থেকে বিশেষ করে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং বহির্বিশ্বে পরিচিতি ও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগে একটি সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।
প্রভুত্ব নয় বন্ধুত্ব এই মৌলিক ধারণার ওপর বিশ্বাস করে তিনি সার্ক গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এজন্য তিনি ১৯৭৯ সালে শ্রীলঙ্কা সফর করেছিলেন। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক আলোচনা পর্যালোচনা কূটনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত রেখেছিলেন। তাই তাকে সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে সার্ক গঠনে উৎসাহিত হয়েছিলেন। যে মহৎ উদ্দেশ্য ও চিন্তা চেতনা নিয়ে তিনি আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নিজ অবস্থান থেকে প্রত্যেক দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ণ রেখে সম্মানের সঙ্গে দেশ পরিচালনা করবে কোনো দেশ অন্য দেশের ওপর অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করবে না, সমঝোতা ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে কূটনৈতিকভাবে বিরোধ মীমাংসা করা, দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা গড়ে তোলা প্রভৃতি দিকগুলো সার্কের চেতনার মধ্যে বিদ্যমান ছিল।
তার এই স্বপ্নের রূপরেখা তিনি দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছিলেন কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারেননি। এটাই দুর্ভাগ্য! দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় বিপথগামী কিছু সেনা অফিসার দেশের একজন সফল রাষ্ট্রপতিকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ করেন। যেন আকাশ থেকে একটি নক্ষত্র মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। দেশ হয়ে পড়ল শোকে মুহ্যমান ।
অবশেষে ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সাতটি দেশ নিয়ে সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো অপারেশন (সার্ক) গঠিত হয়। কার্যত সার্ক এখন মৃত প্রায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লালিত স্বপ্নকে পুনর্জীবিত করে বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ গ্রহণ করলে সর্বমহলে প্রশংসিত হবেন এবং সানন্দ চিত্তে সবাই তাকে স্বাগত জানাবেন।
সার্ক এর কার্যক্রম শুরু হলে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে। নিজেদের সঙ্গে সব দেশগুলো একত্রিত হলে বহির্বিশ্বের পরাশক্তি গুলো একটু নড়েচড়ে বসবে। কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে পরাশক্তিগুলো তাদের নিজ স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে বলে এই সার্ক পুনর্জীবিত হোক তারা সেটা কখনো চাইবে না।
বর্তমান সরকারের অল্পদিনের কাজের পরিচিতি সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। ইতোমধ্যে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি যে এত দ্রুত সীমিত পরিসরে হলেও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তা সবাই অবাক বিষয়ের তাকিয়ে দেখেছেন। সমালোচকদের সমালোচনা বন্ধ হবে, তবে যারা সমালোচনা করার তারা করবেই। তবে গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য।
এই গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে তিনি যদি আঞ্চলিক রাজনীতিতে সার্কের পুনর্জন্ম ঘটিয়ে সবার সাথে হৃদ্যতা পূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন তাহলে তিনি হবেন দক্ষিণ এশিয়ার একজন কিংবদন্তি রাষ্ট্রপ্রধান। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি সমাদৃত হবেন দক্ষ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে। ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
সার্ক গঠনের মধ্য দিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন অযাচিত হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা মনোভাব পোষণ করা সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা সহনশীলতার মনোভাব বিকশিত করা রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সাহায্যে চুক্তি সম্পাদন করা সন্ত্রাসীদেরকে মদদ না দিয়ে শক্ত হাতে একত্রিত হয়ে দমন করা রাজনৈতিক আশ্রয়ের নামে কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় না দেওয়া এরকম বিভিন্ন ইস্যুতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেগুলো দক্ষতার সঙ্গে এবং তার উপদেষ্টামণ্ডলীর পরামর্শের মাধ্যমে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
ইতোমধ্যে পৃথিবীর পরাশক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে অন্যান্য দেশসহ ভারত বাংলাদেশ সরকারের কিংবদন্তি প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে তীক্ষ্ণ মেধা ও প্রজ্ঞার অধিকারী হয়ে সার্ক পুনর্জীবিত করে এর কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারলে তা হবে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। নিজেদের মধ্যে পোষণ করা হিংসা দেশ প্রশমিত হবে ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলো বিশেষ করে ভুটান নেপাল পাকিস্তান বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সম্মানজনকভাবে সমস্যার সমাধান হবে। এই সংগঠনকে যদি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যায় তাহলে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে এর একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বর্তমান সরকারের নানাবিধ কার্যক্রমের মধ্যে যুগোপযোগী এই মহৎ উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করলে ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে তার নাম অক্ষয় হয়ে থাকবে। তিনি তার দক্ষতা যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে ইনশাআল্লাহ প্রমাণ করতে সক্ষম হবেন যে সর্বত্রই শান্তি প্রতিষ্ঠা আমার লক্ষ্য’।
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সমাজকর্ম বিভাগ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ ঢাকা।
.png)
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপি দেশের এমন একটি রাজনৈতিকভাবে দল, যার জনপ্রিয়তা কখনো কমেনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এ দলের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালে। ক্ষমতার উচ্চ শিখরে অবস্থান করে দেশের সম্মানিত মেধাবী ব্যক্তিদের এক জায়গায় এনে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গড়ে তুলতে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার গণতান্ত্রিক চর্চা, বহুদলীয় গণতন্ত্রসহ দেশের মানুষের কল্যাণে এক মহান ব্রত নিয়ে তিনি নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে রাত-দিন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে বেড়িয়েছেন
খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নারীর ক্ষমতায়ন, খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ করা মহিলাদের স্বাবলম্বী করা— এক কথায় দেশের উন্নয়নে পুরুষের পাশাপাশি মা-বোনদের হাঁস মুরগি পালনসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করে দেশকে অসীম উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়ে সফল হয়েছিলেন।
দেশের অগ্রগতি ও কল্যাণের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তিনি সার্ক গঠনে উৎসাহিত হয়েছিলেন। তিনি বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন বাংলাদেশকে সর্বদিক থেকে বিশেষ করে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি এবং বহির্বিশ্বে পরিচিতি ও নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আগে একটি সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন।
প্রভুত্ব নয় বন্ধুত্ব এই মৌলিক ধারণার ওপর বিশ্বাস করে তিনি সার্ক গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এজন্য তিনি ১৯৭৯ সালে শ্রীলঙ্কা সফর করেছিলেন। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক আলোচনা পর্যালোচনা কূটনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত রেখেছিলেন। তাই তাকে সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে সার্ক গঠনে উৎসাহিত হয়েছিলেন। যে মহৎ উদ্দেশ্য ও চিন্তা চেতনা নিয়ে তিনি আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নিজ অবস্থান থেকে প্রত্যেক দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ণ রেখে সম্মানের সঙ্গে দেশ পরিচালনা করবে কোনো দেশ অন্য দেশের ওপর অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করবে না, সমঝোতা ও আলাপ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে কূটনৈতিকভাবে বিরোধ মীমাংসা করা, দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক উন্নয়ন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা গড়ে তোলা প্রভৃতি দিকগুলো সার্কের চেতনার মধ্যে বিদ্যমান ছিল।
তার এই স্বপ্নের রূপরেখা তিনি দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছিলেন কিন্তু বাস্তবায়ন করতে পারেননি। এটাই দুর্ভাগ্য! দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় বিপথগামী কিছু সেনা অফিসার দেশের একজন সফল রাষ্ট্রপতিকে ১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ করেন। যেন আকাশ থেকে একটি নক্ষত্র মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। দেশ হয়ে পড়ল শোকে মুহ্যমান ।
অবশেষে ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সাতটি দেশ নিয়ে সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো অপারেশন (সার্ক) গঠিত হয়। কার্যত সার্ক এখন মৃত প্রায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লালিত স্বপ্নকে পুনর্জীবিত করে বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ গ্রহণ করলে সর্বমহলে প্রশংসিত হবেন এবং সানন্দ চিত্তে সবাই তাকে স্বাগত জানাবেন।
সার্ক এর কার্যক্রম শুরু হলে আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে। নিজেদের সঙ্গে সব দেশগুলো একত্রিত হলে বহির্বিশ্বের পরাশক্তি গুলো একটু নড়েচড়ে বসবে। কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে পরাশক্তিগুলো তাদের নিজ স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে বলে এই সার্ক পুনর্জীবিত হোক তারা সেটা কখনো চাইবে না।
বর্তমান সরকারের অল্পদিনের কাজের পরিচিতি সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। ইতোমধ্যে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি যে এত দ্রুত সীমিত পরিসরে হলেও বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তা সবাই অবাক বিষয়ের তাকিয়ে দেখেছেন। সমালোচকদের সমালোচনা বন্ধ হবে, তবে যারা সমালোচনা করার তারা করবেই। তবে গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য।
এই গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে তিনি যদি আঞ্চলিক রাজনীতিতে সার্কের পুনর্জন্ম ঘটিয়ে সবার সাথে হৃদ্যতা পূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন তাহলে তিনি হবেন দক্ষিণ এশিয়ার একজন কিংবদন্তি রাষ্ট্রপ্রধান। রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি সমাদৃত হবেন দক্ষ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে। ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
সার্ক গঠনের মধ্য দিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন অযাচিত হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা মনোভাব পোষণ করা সীমান্তে হত্যা বন্ধ করা সহনশীলতার মনোভাব বিকশিত করা রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সাহায্যে চুক্তি সম্পাদন করা সন্ত্রাসীদেরকে মদদ না দিয়ে শক্ত হাতে একত্রিত হয়ে দমন করা রাজনৈতিক আশ্রয়ের নামে কোনো অপরাধীকে প্রশ্রয় না দেওয়া এরকম বিভিন্ন ইস্যুতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সেগুলো দক্ষতার সঙ্গে এবং তার উপদেষ্টামণ্ডলীর পরামর্শের মাধ্যমে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।
ইতোমধ্যে পৃথিবীর পরাশক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে অন্যান্য দেশসহ ভারত বাংলাদেশ সরকারের কিংবদন্তি প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান হিসেবে তীক্ষ্ণ মেধা ও প্রজ্ঞার অধিকারী হয়ে সার্ক পুনর্জীবিত করে এর কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারলে তা হবে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। নিজেদের মধ্যে পোষণ করা হিংসা দেশ প্রশমিত হবে ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলো বিশেষ করে ভুটান নেপাল পাকিস্তান বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সম্মানজনকভাবে সমস্যার সমাধান হবে। এই সংগঠনকে যদি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া যায় তাহলে আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে এর একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বর্তমান সরকারের নানাবিধ কার্যক্রমের মধ্যে যুগোপযোগী এই মহৎ উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করলে ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে তার নাম অক্ষয় হয়ে থাকবে। তিনি তার দক্ষতা যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে ইনশাআল্লাহ প্রমাণ করতে সক্ষম হবেন যে সর্বত্রই শান্তি প্রতিষ্ঠা আমার লক্ষ্য’।
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সমাজকর্ম বিভাগ, মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ ঢাকা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন