যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৯৩ নং গাংড়া মৌজার পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বিরোধের অবসান ঘটেছে। শরিকানা বণ্টন না করে ক্ষমতার জোরে অতিরিক্ত জমি দখলে রাখার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দিয়েছেন মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। এসিল্যান্ডের এমন দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপে অবসান ঘটেছে একটি পরিবারের দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাংড়া মৌজার মূল খতিয়ান নং ১৫৪/১৩৭ ও নামজারি খতিয়ান ১৫৪/১/৩০৮-এর ৩, ৫, ৬ ও ৭ দাগের মোট ৫২ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, মৃত আব্দুল খালেকের শরিকানাভুক্ত পৈতৃক সম্পত্তিতে কোনো প্রকার আইনগত বণ্টননামা ছাড়াই একই এলাকার আ. আজিজ শেখের পুত্র মো. ইসমাইল হোসেন শরিকগণের সরলতার সুযোগ নিয়ে অবৈধভাবে অতিরিক্ত জমি লিখে নেন এবং তা জবরদখল করে রাখেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক নজরুল ইসলাম নিজের পৈতৃক অধিকার ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত তাঁর পক্ষেই রায় প্রদান করেন। কিন্তু আদালতের রায়কে তোয়াক্কা না করে বিবাদীপক্ষ জমি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং উল্টো নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করে। নিরুপায় হয়ে নজরুল ইসলাম মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর রেকর্ড সংশোধন ও নামজারির আবেদন করেন।
উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে মণিরামপুর ভূমি অফিসে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি উন্মুক্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্য এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন দেখতে পান, ক্রয়সূত্রে শরিকগণ তাদের আইনগত প্রাপ্য জমির চেয়ে অনেক বেশি জমি দলিল করে নিয়েছেন- যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই অসঙ্গতি দূর করে তিনি দ্রুততম সময়ে ন্যায়ের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন।
.png)
রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৯৩ নং গাংড়া মৌজার পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বিরোধের অবসান ঘটেছে। শরিকানা বণ্টন না করে ক্ষমতার জোরে অতিরিক্ত জমি দখলে রাখার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক মো. নজরুল ইসলামের পক্ষে রায় দিয়েছেন মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। এসিল্যান্ডের এমন দ্রুত ও ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপে অবসান ঘটেছে একটি পরিবারের দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাংড়া মৌজার মূল খতিয়ান নং ১৫৪/১৩৭ ও নামজারি খতিয়ান ১৫৪/১/৩০৮-এর ৩, ৫, ৬ ও ৭ দাগের মোট ৫২ শতক জমি নিয়ে এই বিরোধের সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, মৃত আব্দুল খালেকের শরিকানাভুক্ত পৈতৃক সম্পত্তিতে কোনো প্রকার আইনগত বণ্টননামা ছাড়াই একই এলাকার আ. আজিজ শেখের পুত্র মো. ইসমাইল হোসেন শরিকগণের সরলতার সুযোগ নিয়ে অবৈধভাবে অতিরিক্ত জমি লিখে নেন এবং তা জবরদখল করে রাখেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক নজরুল ইসলাম নিজের পৈতৃক অধিকার ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত তাঁর পক্ষেই রায় প্রদান করেন। কিন্তু আদালতের রায়কে তোয়াক্কা না করে বিবাদীপক্ষ জমি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং উল্টো নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করে। নিরুপায় হয়ে নজরুল ইসলাম মণিরামপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর রেকর্ড সংশোধন ও নামজারির আবেদন করেন।
উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে মণিরামপুর ভূমি অফিসে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি উন্মুক্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। সরেজমিনে প্রাপ্ত তথ্য এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন দেখতে পান, ক্রয়সূত্রে শরিকগণ তাদের আইনগত প্রাপ্য জমির চেয়ে অনেক বেশি জমি দলিল করে নিয়েছেন- যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এই অসঙ্গতি দূর করে তিনি দ্রুততম সময়ে ন্যায়ের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন