সার্চ টুডে

পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক গান এটি, কেড়ে নিয়েছিল শতাধিক প্রাণ



 পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক গান এটি, কেড়ে নিয়েছিল শতাধিক প্রাণ
ছবি : সংগৃহীত

গান সাধারণত মানুষকে আনন্দ দেয়, মন ভালো করে বা একাকীত্ব কমায়। কিন্তু ইতিহাসে এমন এক গান আছে, যেটাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ভয়, বিতর্ক আর রহস্য। অনেকের মতে, এই গান শুনে শতাধিক মানুষের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছিল।

গানটির নাম ‘গ্লোমি সানডে’। ১৯৩৩ সালে হাঙ্গেরির সঙ্গীতশিল্পী রেজো সেরেস এটি রচনা করেন। একটি দুঃখভরা প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে গানটি তৈরি করা হয়, যেখানে প্রেম হারানোর পর এক মানুষের গভীর হতাশা ও জীবন থেকে সরে যাওয়ার কথা তুলে ধরা হয়।

শুরুর দিকেই গানটি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়। অনেক শ্রোতা জানান, গানটির সুর অত্যন্ত বিষণ্ণ এবং ভারী অনুভূতি তৈরি করে। ধীরে ধীরে কিছু আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে গানটির নাম জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই এটি ঘিরে তৈরি হয় ভয় ও বিতর্ক।


হাঙ্গেরিতে গানটি নিয়ে পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছিল যে এক সময় এটিকে ‘সুইসাইড সং’ নামে ডাকা শুরু হয়। ধারণা করা হয়, গানটি শোনার পর শতাধিক মানুষ আত্মহত্যা করেছিলেন বলে বিভিন্ন সময়ে দাবি করা হয়। এই কারণে একাধিক দেশে গানটির প্রচার ও প্রচলন সীমিত করা হয়।

পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় ধরে গানটি অনেক জায়গায় নিষিদ্ধ ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশে এটি রেডিও ও প্রকাশ্য সম্প্রচার থেকেও সরিয়ে রাখা হয়। প্রায় ছয় দশকেরও বেশি সময় পর, ১৯৯৫ সালে কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।

তবে আজও ‘গ্লোমি সানডে’ গানটি ঘিরে মানুষের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি ও কৌতূহল রয়ে গেছে। কেউ একে শুধু একটি দুঃখের গান হিসেবে দেখেন, আবার কেউ একে ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত গানগুলোর একটি মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সার্চ টুডে

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক গান এটি, কেড়ে নিয়েছিল শতাধিক প্রাণ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

গান সাধারণত মানুষকে আনন্দ দেয়, মন ভালো করে বা একাকীত্ব কমায়। কিন্তু ইতিহাসে এমন এক গান আছে, যেটাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে ভয়, বিতর্ক আর রহস্য। অনেকের মতে, এই গান শুনে শতাধিক মানুষের আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছিল।



গানটির নাম ‘গ্লোমি সানডে’। ১৯৩৩ সালে হাঙ্গেরির সঙ্গীতশিল্পী রেজো সেরেস এটি রচনা করেন। একটি দুঃখভরা প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে গানটি তৈরি করা হয়, যেখানে প্রেম হারানোর পর এক মানুষের গভীর হতাশা ও জীবন থেকে সরে যাওয়ার কথা তুলে ধরা হয়।


শুরুর দিকেই গানটি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়। অনেক শ্রোতা জানান, গানটির সুর অত্যন্ত বিষণ্ণ এবং ভারী অনুভূতি তৈরি করে। ধীরে ধীরে কিছু আত্মহত্যার ঘটনার সঙ্গে গানটির নাম জড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকেই এটি ঘিরে তৈরি হয় ভয় ও বিতর্ক।


হাঙ্গেরিতে গানটি নিয়ে পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছিল যে এক সময় এটিকে ‘সুইসাইড সং’ নামে ডাকা শুরু হয়। ধারণা করা হয়, গানটি শোনার পর শতাধিক মানুষ আত্মহত্যা করেছিলেন বলে বিভিন্ন সময়ে দাবি করা হয়। এই কারণে একাধিক দেশে গানটির প্রচার ও প্রচলন সীমিত করা হয়।


পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় ধরে গানটি অনেক জায়গায় নিষিদ্ধ ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশে এটি রেডিও ও প্রকাশ্য সম্প্রচার থেকেও সরিয়ে রাখা হয়। প্রায় ছয় দশকেরও বেশি সময় পর, ১৯৯৫ সালে কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।


তবে আজও ‘গ্লোমি সানডে’ গানটি ঘিরে মানুষের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি ও কৌতূহল রয়ে গেছে। কেউ একে শুধু একটি দুঃখের গান হিসেবে দেখেন, আবার কেউ একে ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত গানগুলোর একটি মনে করেন।


সার্চ টুডে

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজাম্মুল হোসেন
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হুমায়ূন কবীর
লিগ্যাল এডভাইজার: সৌরভ গাঙ্গুলি
উপদেষ্টা: সাজ্জাদ আলম খান সজল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সার্চটুডে