গোপালগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও একাধিক ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে ২২ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
জানা যায়, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ব্যাচের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় ১ হাজার ২০০ চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। শারীরিক সক্ষমতা যাচাই, লিখিত পরীক্ষা, মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন এবং মৌখিক পরীক্ষার ধাপ শেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়।
গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন মো. হাবীবুল্লাহ। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মাত্র ১২০ টাকা সরকারি ফিতে পুলিশের চাকরিতে সুযোগ পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন নির্বাচিত প্রার্থী ও তাদের স্বজনরা। তাদের দাবি, কোনো ধরনের তদবির কিংবা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার বলেন, “যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই তোমরা এই সুযোগ অর্জন করেছো। ভবিষ্যতে সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা নিয়ে দেশের মানুষের সেবায় কাজ করতে হবে।”
জেলা পুলিশের এমন ঘুষ ও তদবিরমুক্ত নিয়োগ কার্যক্রমকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ।
.png)
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জ জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও একাধিক ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে ২২ জন প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
জানা যায়, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ব্যাচের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলার প্রায় ১ হাজার ২০০ চাকরিপ্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। শারীরিক সক্ষমতা যাচাই, লিখিত পরীক্ষা, মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন এবং মৌখিক পরীক্ষার ধাপ শেষে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়।
গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন মো. হাবীবুল্লাহ। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মাত্র ১২০ টাকা সরকারি ফিতে পুলিশের চাকরিতে সুযোগ পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন নির্বাচিত প্রার্থী ও তাদের স্বজনরা। তাদের দাবি, কোনো ধরনের তদবির কিংবা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার বলেন, “যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই তোমরা এই সুযোগ অর্জন করেছো। ভবিষ্যতে সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা নিয়ে দেশের মানুষের সেবায় কাজ করতে হবে।”
জেলা পুলিশের এমন ঘুষ ও তদবিরমুক্ত নিয়োগ কার্যক্রমকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ।
.png)
আপনার মতামত লিখুন