একসময় যেটি তার ছিল কেবল নেশা, এখন সেটিই পেশা ও ক্যারিয়ার গড়ার হাতিয়ার। এই ধারায় নিজের প্রতিভা ও সৃজনশীল দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
ফটোগ্রাফিই এখন তার একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান। তিনি বিশ্বাস করেন- ফটোগ্রাফির মাধ্যমে নান্দনিকতা ও সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ প্রকাশ সম্ভব। তাই তিনি এমন কাজ করতে চান, যা মানুষের মনে দাগ কেটে থাকবে দীর্ঘদিন। তার ভাষায়, “ফটোগ্রাফি নিয়েই আমার সব স্বপ্ন ও ধ্যান-জ্ঞান।”
আট বছরের পেশাদার ফটোগ্রাফি ক্যারিয়ারে মোহাইমিনুর রহমান একুশ কাজ করেছেন দেশের অনেক জনপ্রিয় তারকা শিল্পীর সঙ্গে। বিশেষ করে পাকিস্তানি সঙ্গীত শিল্পী আতিফ আসলাম,পূনিমা বৃষ্টি, অনামিকা, ফাবিহা, পারুসহ অসংখ্য তারকা ছিলেন তার ক্যামেরার মডেল। তার ফ্রেমে ফুটে ওঠা নান্দনিকতা ছড়িয়েছে শিল্পের সুষমা, আর সেই কারণেই তিনি অর্জন করেছেন একের পর এক সম্মাননা।
সবশেষে তার ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো আরেকটি বড় অর্জন— একুশে ফটোগ্রাফি ফেস্টিভ্যাল। ক্যামেরার ফ্রেমে স্বপ্ন বুনন করা এই আলোকচিত্রী ছোটবেলা থেকেই শিল্পচর্চায় নিবেদিত ছিলেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় মোহাইমিনুর রহমান একুশ। চান ফটোগ্রাফির মাধ্যমেই স্বপ্নের সোনালী সোপানে ক্যারিয়ারকে নিয়ে যেতে।
নিজের সাধনা ও একাগ্রতা দিয়ে তিনি এগিয়ে যাবেন আরও দূর, এমনটাই প্রত্যাশা তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের।
.png)
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
একসময় যেটি তার ছিল কেবল নেশা, এখন সেটিই পেশা ও ক্যারিয়ার গড়ার হাতিয়ার। এই ধারায় নিজের প্রতিভা ও সৃজনশীল দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
ফটোগ্রাফিই এখন তার একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান। তিনি বিশ্বাস করেন- ফটোগ্রাফির মাধ্যমে নান্দনিকতা ও সৃজনশীলতার সর্বোচ্চ প্রকাশ সম্ভব। তাই তিনি এমন কাজ করতে চান, যা মানুষের মনে দাগ কেটে থাকবে দীর্ঘদিন। তার ভাষায়, “ফটোগ্রাফি নিয়েই আমার সব স্বপ্ন ও ধ্যান-জ্ঞান।”
আট বছরের পেশাদার ফটোগ্রাফি ক্যারিয়ারে মোহাইমিনুর রহমান একুশ কাজ করেছেন দেশের অনেক জনপ্রিয় তারকা শিল্পীর সঙ্গে। বিশেষ করে পাকিস্তানি সঙ্গীত শিল্পী আতিফ আসলাম,পূনিমা বৃষ্টি, অনামিকা, ফাবিহা, পারুসহ অসংখ্য তারকা ছিলেন তার ক্যামেরার মডেল। তার ফ্রেমে ফুটে ওঠা নান্দনিকতা ছড়িয়েছে শিল্পের সুষমা, আর সেই কারণেই তিনি অর্জন করেছেন একের পর এক সম্মাননা।
সবশেষে তার ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো আরেকটি বড় অর্জন— একুশে ফটোগ্রাফি ফেস্টিভ্যাল। ক্যামেরার ফ্রেমে স্বপ্ন বুনন করা এই আলোকচিত্রী ছোটবেলা থেকেই শিল্পচর্চায় নিবেদিত ছিলেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় মোহাইমিনুর রহমান একুশ। চান ফটোগ্রাফির মাধ্যমেই স্বপ্নের সোনালী সোপানে ক্যারিয়ারকে নিয়ে যেতে।
নিজের সাধনা ও একাগ্রতা দিয়ে তিনি এগিয়ে যাবেন আরও দূর, এমনটাই প্রত্যাশা তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের।
.png)
আপনার মতামত লিখুন