বিশিষ্ট মানবাধিকার ও পরিবেশ কর্মী, রাজনীতিবিদ ও নারী উদ্যোক্তা সেজুতি হোসাইন-কে মর্যাদাপূর্ণ “শেরে-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬” প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় ঢাকার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা অডিটোরিয়ামে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অর্থনীতি, সমাজসেবা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, গণমাধ্যম ও রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের মাঝে ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. মো. আবু তারিক বলেন, এ কে ফজলুল হক ছিলেন জনমানুষের নেতা। তার ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি নতুন প্রজন্মকে তার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মফিজুর রহমান খান বাবু বলেন, শেরে বাংলার রাজনীতি ছিল জনগণকেন্দ্রিক কৃষক-শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনুকরণীয়।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দারুস-সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. হামিদা খানম এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) প্রফেসর ডা. নাজমা বেগম নাজু।
সমাজসেবা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে দীর্ঘদিনের নিরলস কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। আয়োজকরা জানান, সেজুতি হোসাইনের ধারাবাহিক সামাজিক উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম এবং নেতৃত্বগুণ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষা, পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে তার কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যেই তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
পুরস্কার গ্রহণের পর সেজুতি হোসাইন বলেন, এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। আমি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।
.png)
রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
বিশিষ্ট মানবাধিকার ও পরিবেশ কর্মী, রাজনীতিবিদ ও নারী উদ্যোক্তা সেজুতি হোসাইন-কে মর্যাদাপূর্ণ “শেরে-বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬” প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় ঢাকার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা অডিটোরিয়ামে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে অর্থনীতি, সমাজসেবা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, গণমাধ্যম ও রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণীজনদের মাঝে ‘শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ড. মো. আবু তারিক বলেন, এ কে ফজলুল হক ছিলেন জনমানুষের নেতা। তার ন্যায়বিচার, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি নতুন প্রজন্মকে তার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো. মফিজুর রহমান খান বাবু বলেন, শেরে বাংলার রাজনীতি ছিল জনগণকেন্দ্রিক কৃষক-শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনুকরণীয়।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দারুস-সালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস. মিজান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. হামিদা খানম এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) প্রফেসর ডা. নাজমা বেগম নাজু।
সমাজসেবা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে দীর্ঘদিনের নিরলস কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। আয়োজকরা জানান, সেজুতি হোসাইনের ধারাবাহিক সামাজিক উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম এবং নেতৃত্বগুণ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষা, পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে তার কার্যক্রম প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন মহলে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যেই তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
পুরস্কার গ্রহণের পর সেজুতি হোসাইন বলেন, এই স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল। আমি ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।
.png)
আপনার মতামত লিখুন