টিসিবির এক্টিভেটেড ফ্যামিলি স্মার্টকার্ডধারী সুবিধাভোগীদের মাঝে পণ্য বিক্রয়ের বর্ধিত তারিখের নির্ধারিত ২৫শে মে(সোমবার) মণিরামপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের কার্ডধারীদের মাঝে পণ্য বিক্রয়ের চলমান কার্যক্রমে কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ডিলারশিপ প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিক্তি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোঃ সোহাগ হোসেনের বিরুদ্ধে। ৯টি ওয়ার্ডের ১২টি গ্রামের ১৭'শ টির অধিক কার্ডধারী সুবিধাভোগীর বৃহৎ একটি অংশের অভিযোগ ২দিন পৌরসভায় গিয়ে পাণ্য পাওয়া যায়নি,হঠাৎ জানতে পারলাম রবিবার (২৪শে মে) রাত ১০টার পর নাকি মাইকিং করেছে।তবে আশ্চার্য্যজনক বিষয় হলো, টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের নিজস্ব ভ্যাণু পৌরসভা কার্যালয় হলেও তার পরিবর্তে ৫নং ওয়ার্ড তাহেরপুরে প্রতিষ্ঠানের মালিক সোহাগ হোসেনের এক আত্বীয়র বাড়ির নিচতলায় মণিরামপুর-রাজগন্জ সড়ক সংলগ্ন যত্রতত্র গোডাউনে পণ্য বিক্রি হয়েছে।
যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন কর্মচারী -কর্মকর্তা এমনকি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন নিজেউ এ বিষয়ে অবগত ছিলোনা বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মণিরামপুর পৌরসভার হিসাব রক্ষক মোঃ শাহিনুর ইসলাম। শুধু হিসাব রক্ষক না! সোমবার (২৫শে মে) পৌরসভার টিসিবি পণ্যে বিক্রির এ বিষয়ে কোন রকম কিছুই জানেন না, পৌরসভার সচিব মোঃ তৌফিকুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।
সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক ঘঠনা এই যে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোঃ সম্রাট হোসেনের স্বাক্ষরিত যে নোটিশে ডিলার হিসাবে মেসার্স রিক্তি ট্রেডার্স নিয়োগ হয়েছে সে কর্মকর্তা নিজেও তাদের পণ্য বিক্রয়ের কার্যক্রম করতে বার বার নোটিশ করলেও প্রোঃ মোঃ সোহাগ হোসেন দেইনি কোন উত্তর, করেননি কোন রকম যোগাযোগ।
তথ্য মোতাবেক,যশোর জেলা প্রশাসন কর্তৃক মণিরামপুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার পুনঃতারিখ ঘোষণার পরিপেক্ষিতে বাকি থাকা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার জন্য নির্ধারিত ২৪,২৫,২৬ ও ২৭শে মে ঘোষণা দিলেও মেসার্স রিক্তি ট্রেডার্স নামের ঐ প্রতিষ্ঠান সেচ্চাচারিতা দেখিয়ে ইচ্ছামতো টিসিবির পণ্য বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অসংখ্য কার্ডধারী ভুক্তভোগীরা!
টিসিবি পণ্য বিক্রয়ে এ সমস্ত অসংগতির তথ্য সংগ্রহে সরেজমিনে তাহেরপুরে গেলে দেখা যায় চরম বিশৃঙ্খলা। নাই কোন জনবল,পাওয়া যায়নি নিয়োগকৃত ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানকে। একমাত্র পরিবেশক মোঃ সোহাগ হোসেন নিজেই করছেন হ-য-ব-র-ল টিসিবি পণ্য বিক্রয়ের প্রশ্নবিদ্ধ কার্যক্রম। কার্ডধারীদের ভিড় উপেক্ষা করে কোন রকম তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি রাগান্বিত ভাবে এ প্রতিবেদকে বলেন,এখানে পণ্য বিক্রি করতে কার অনুমতি লাগবে,কি সমস্যা আছে! তোমার এত প্রয়োজন কিসের,তুমি তোমার কাজে যাও। এ সমস্ত অসংগতি পূর্ণ আলাপে চলতি এ প্রতিবেদক নতমস্তকে প্রস্থান করিতে চাইলে সোহাগ হোসেনের গুপ্ত এক সহযোগী চাপাস্বরে জানান যে,তোমার কার্ড থাকলে পাঠায় দাও মাল নিয়ে যাও।
এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে গাড়িতে চলমান অবস্থায় আছেন দাবি করে মুঠোফোনে বলতে থাকেন"এই গাড়িতে আছি ভাই,পড়ে গেলাম,পড়ে গেলাম!
চলতি এ প্রতিবেদনের সার্বিক বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে নির্ধারিত স্থানে পন্য বিক্রির কথা বলা হয়েছে। অন্যথায় বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
টিসিবির এক্টিভেটেড ফ্যামিলি স্মার্টকার্ডধারী সুবিধাভোগীদের মাঝে পণ্য বিক্রয়ের বর্ধিত তারিখের নির্ধারিত ২৫শে মে(সোমবার) মণিরামপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের কার্ডধারীদের মাঝে পণ্য বিক্রয়ের চলমান কার্যক্রমে কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ডিলারশিপ প্রতিষ্ঠান মেসার্স রিক্তি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোঃ সোহাগ হোসেনের বিরুদ্ধে। ৯টি ওয়ার্ডের ১২টি গ্রামের ১৭'শ টির অধিক কার্ডধারী সুবিধাভোগীর বৃহৎ একটি অংশের অভিযোগ ২দিন পৌরসভায় গিয়ে পাণ্য পাওয়া যায়নি,হঠাৎ জানতে পারলাম রবিবার (২৪শে মে) রাত ১০টার পর নাকি মাইকিং করেছে।তবে আশ্চার্য্যজনক বিষয় হলো, টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের নিজস্ব ভ্যাণু পৌরসভা কার্যালয় হলেও তার পরিবর্তে ৫নং ওয়ার্ড তাহেরপুরে প্রতিষ্ঠানের মালিক সোহাগ হোসেনের এক আত্বীয়র বাড়ির নিচতলায় মণিরামপুর-রাজগন্জ সড়ক সংলগ্ন যত্রতত্র গোডাউনে পণ্য বিক্রি হয়েছে।
যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন কর্মচারী -কর্মকর্তা এমনকি পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেন নিজেউ এ বিষয়ে অবগত ছিলোনা বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মণিরামপুর পৌরসভার হিসাব রক্ষক মোঃ শাহিনুর ইসলাম। শুধু হিসাব রক্ষক না! সোমবার (২৫শে মে) পৌরসভার টিসিবি পণ্যে বিক্রির এ বিষয়ে কোন রকম কিছুই জানেন না, পৌরসভার সচিব মোঃ তৌফিকুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।
সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক ঘঠনা এই যে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোঃ সম্রাট হোসেনের স্বাক্ষরিত যে নোটিশে ডিলার হিসাবে মেসার্স রিক্তি ট্রেডার্স নিয়োগ হয়েছে সে কর্মকর্তা নিজেও তাদের পণ্য বিক্রয়ের কার্যক্রম করতে বার বার নোটিশ করলেও প্রোঃ মোঃ সোহাগ হোসেন দেইনি কোন উত্তর, করেননি কোন রকম যোগাযোগ।
তথ্য মোতাবেক,যশোর জেলা প্রশাসন কর্তৃক মণিরামপুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার পুনঃতারিখ ঘোষণার পরিপেক্ষিতে বাকি থাকা ইউনিয়ন এবং পৌরসভার জন্য নির্ধারিত ২৪,২৫,২৬ ও ২৭শে মে ঘোষণা দিলেও মেসার্স রিক্তি ট্রেডার্স নামের ঐ প্রতিষ্ঠান সেচ্চাচারিতা দেখিয়ে ইচ্ছামতো টিসিবির পণ্য বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অসংখ্য কার্ডধারী ভুক্তভোগীরা!
টিসিবি পণ্য বিক্রয়ে এ সমস্ত অসংগতির তথ্য সংগ্রহে সরেজমিনে তাহেরপুরে গেলে দেখা যায় চরম বিশৃঙ্খলা। নাই কোন জনবল,পাওয়া যায়নি নিয়োগকৃত ট্যাগ অফিসার উপজেলা সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানকে। একমাত্র পরিবেশক মোঃ সোহাগ হোসেন নিজেই করছেন হ-য-ব-র-ল টিসিবি পণ্য বিক্রয়ের প্রশ্নবিদ্ধ কার্যক্রম। কার্ডধারীদের ভিড় উপেক্ষা করে কোন রকম তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি রাগান্বিত ভাবে এ প্রতিবেদকে বলেন,এখানে পণ্য বিক্রি করতে কার অনুমতি লাগবে,কি সমস্যা আছে! তোমার এত প্রয়োজন কিসের,তুমি তোমার কাজে যাও। এ সমস্ত অসংগতি পূর্ণ আলাপে চলতি এ প্রতিবেদক নতমস্তকে প্রস্থান করিতে চাইলে সোহাগ হোসেনের গুপ্ত এক সহযোগী চাপাস্বরে জানান যে,তোমার কার্ড থাকলে পাঠায় দাও মাল নিয়ে যাও।
এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে গাড়িতে চলমান অবস্থায় আছেন দাবি করে মুঠোফোনে বলতে থাকেন"এই গাড়িতে আছি ভাই,পড়ে গেলাম,পড়ে গেলাম!
চলতি এ প্রতিবেদনের সার্বিক বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সম্রাট হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট ট্যাগ অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে নির্ধারিত স্থানে পন্য বিক্রির কথা বলা হয়েছে। অন্যথায় বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন