লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘ তিন বছর ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ সার ও কীটনাশক নতুন করে প্যাকেটজাত করে আসছিলেন যশোরের চাঁচড়া এলাকার ব্যবসায়ী হাবিবউল্লাহ খান। রোববার দুপুরে র্যাব, কৃষি বিভাগ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক যৌথ অভিযানে এই জালিয়াতির পর্দা উন্মোচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এই কর্মকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, চাঁচড়া ঢাকা রোডে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনের একটি আবাসিক বাড়িতে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সারের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন হাবিবউল্লাহ। তবে তল্লাশিতে দেখা যায়, তার গুদামে থাকা অধিকাংশ কীটনাশক ও সার ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। সেখানে সরকারি কোনো অনুমোদন ছাড়াই বিপুল পরিমাণ খালি প্যাকেট, বোতল এবং লেবেলবিহীন পণ্য ব্যবহার করে সেগুলো পুনরায় বাজারজাত করার প্রস্তুতি চলছিল। এছাড়া গত তিন বছর ধরে তার ব্যবসার কোনো বৈধ কাগজপত্র বা নবায়ন ছিল না।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া র্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সেলিমুজ্জামান অপরাধের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানাসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কৃষি নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বিষয় : ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান জরিমানা
.png)
রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
লাইসেন্স ছাড়াই দীর্ঘ তিন বছর ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ সার ও কীটনাশক নতুন করে প্যাকেটজাত করে আসছিলেন যশোরের চাঁচড়া এলাকার ব্যবসায়ী হাবিবউল্লাহ খান। রোববার দুপুরে র্যাব, কৃষি বিভাগ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক যৌথ অভিযানে এই জালিয়াতির পর্দা উন্মোচিত হয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ এই কর্মকাণ্ডের দায়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, চাঁচড়া ঢাকা রোডে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সামনের একটি আবাসিক বাড়িতে দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে সারের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন হাবিবউল্লাহ। তবে তল্লাশিতে দেখা যায়, তার গুদামে থাকা অধিকাংশ কীটনাশক ও সার ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। সেখানে সরকারি কোনো অনুমোদন ছাড়াই বিপুল পরিমাণ খালি প্যাকেট, বোতল এবং লেবেলবিহীন পণ্য ব্যবহার করে সেগুলো পুনরায় বাজারজাত করার প্রস্তুতি চলছিল। এছাড়া গত তিন বছর ধরে তার ব্যবসার কোনো বৈধ কাগজপত্র বা নবায়ন ছিল না।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া র্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর ফজলে রাব্বি প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সেলিমুজ্জামান অপরাধের সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন। অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানাসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কৃষি নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন