যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৫ নম্বর হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া পাঁচকাটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত ভবন এখন মাদকসেবী ও বখাটেদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। দিনের বেলায় নির্জন থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই ওই ভবনে শুরু হয় মাদক সেবন, কেনাবেচা ও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে করে এলাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ, ভীতি এবং সামাজিক অস্থিরতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহুদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা বিদ্যালয়ের ওই ভবনটি কার্যত নজরদারিহীন। সন্ধ্যাঁর পরপরই সেখানে জড়ো হয় বহিরাগত ও স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি। রাত গভীর হওয়া পর্যন্ত চলে মাদক সেবন ও বেচাকেনা এবং নানানরকম অসামাজিক কর্মকাণ্ড। এলাকাবাসীর দাবি, এই ভবনটি এখন অপরাধীদের জন্য একপ্রকার “নিরাপদ জোন”-এ পরিণত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন কর্মকাণ্ড চলতে থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানসিক ও নৈতিক বিকাশ হুমকির মুখে পড়ছে। স্থানীয় সামাজিক নিরাপত্তা এবং সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তারা।
একজন অভিভাবকের ভাষ্য, স্কুলের ভেতরে যদি এসব চলে, তাহলে আমাদের সন্তানদের কোথায় নিরাপদ রাখব, এবং তিনি এই বিষয়ে অতিদ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, কয়েকজন মিলে কয়েকবার মৌখিকভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনো ফল হয়নি। বরং বখাটেদের ভয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নিয়মিত পুলিশি টহলের অভাব এবং নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়েই অপরাধীরা এই জায়গাটিকে ঘাঁটি বানিয়েছে।
সচেতন মহল ও স্থানীয়দের দাবি, পরিত্যক্ত ভবনটি দ্রুত দখলমুক্ত ও সংস্কার করতে হবে। পরিস্তিতি বিবেচনায় প্রয়োজন মাফিক নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়াতে হবে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। যেহেতু, ভবনটি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভবনটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
এলাকার বাসিন্দারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে এবং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে পুরো এলাকায়।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘিরে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড শুধু আইনশৃঙ্খলারই প্রশ্ন নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিষয় : মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য অসামাজিক উদ্বেগ
.png)
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ৫ নম্বর হরিদাসকাঠি ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া পাঁচকাটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি পরিত্যক্ত ভবন এখন মাদকসেবী ও বখাটেদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। দিনের বেলায় নির্জন থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই ওই ভবনে শুরু হয় মাদক সেবন, কেনাবেচা ও নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে করে এলাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ, ভীতি এবং সামাজিক অস্থিরতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহুদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা বিদ্যালয়ের ওই ভবনটি কার্যত নজরদারিহীন। সন্ধ্যাঁর পরপরই সেখানে জড়ো হয় বহিরাগত ও স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তি। রাত গভীর হওয়া পর্যন্ত চলে মাদক সেবন ও বেচাকেনা এবং নানানরকম অসামাজিক কর্মকাণ্ড। এলাকাবাসীর দাবি, এই ভবনটি এখন অপরাধীদের জন্য একপ্রকার “নিরাপদ জোন”-এ পরিণত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন কর্মকাণ্ড চলতে থাকায় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানসিক ও নৈতিক বিকাশ হুমকির মুখে পড়ছে। স্থানীয় সামাজিক নিরাপত্তা এবং সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তারা।
একজন অভিভাবকের ভাষ্য, স্কুলের ভেতরে যদি এসব চলে, তাহলে আমাদের সন্তানদের কোথায় নিরাপদ রাখব, এবং তিনি এই বিষয়ে অতিদ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, কয়েকজন মিলে কয়েকবার মৌখিকভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনো ফল হয়নি। বরং বখাটেদের ভয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব কর্মকাণ্ড চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নিয়মিত পুলিশি টহলের অভাব এবং নজরদারির ঘাটতির সুযোগ নিয়েই অপরাধীরা এই জায়গাটিকে ঘাঁটি বানিয়েছে।
সচেতন মহল ও স্থানীয়দের দাবি, পরিত্যক্ত ভবনটি দ্রুত দখলমুক্ত ও সংস্কার করতে হবে। পরিস্তিতি বিবেচনায় প্রয়োজন মাফিক নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়াতে হবে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। যেহেতু, ভবনটি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভবনটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
এলাকার বাসিন্দারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে এবং এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে পুরো এলাকায়।
একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘিরে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড শুধু আইনশৃঙ্খলারই প্রশ্ন নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর সরাসরি আঘাত এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন