বরগুনার তালতলী উপজেলার নিদ্রাসকিনা কোস্টগার্ড স্টেশনে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁসের অভিযোগে বেসামরিক প্রধান মাঝি মো. কালাম মিয়াকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কোস্টগার্ড কর্তৃপক্ষ এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে নিদ্রাসকিনা স্টেশনে প্রধান মাঝি হিসেবে যোগ দেন কালাম মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি কোস্টগার্ডের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের নিয়মবহির্ভূত কাজে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে নদী ও সাগরে অবৈধ মৎস্য আহরণবিরোধী অভিযানের আগাম তথ্য টাকার বিনিময়ে অসাধু জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতেন তিনি। এতে কোস্টগার্ডের নিয়মিত অভিযানগুলো বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল।
কোস্টগার্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, কালাম মিয়ার সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসার পর তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সংশোধনের পরিবর্তে তিনি তার অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাচার ও অর্থ গ্রহণের সত্যতা মেলায় বাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষায় তাকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোস্টগার্ডের মতো সংবেদনশীল বাহিনীর স্বার্থ রক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আর স্বপদে বহাল রাখা সম্ভব নয়।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. কালাম মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রকৃত কারণ তার জানা নেই।
.png)
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বরগুনার তালতলী উপজেলার নিদ্রাসকিনা কোস্টগার্ড স্টেশনে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁসের অভিযোগে বেসামরিক প্রধান মাঝি মো. কালাম মিয়াকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কোস্টগার্ড কর্তৃপক্ষ এই কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে নিদ্রাসকিনা স্টেশনে প্রধান মাঝি হিসেবে যোগ দেন কালাম মিয়া। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি কোস্টগার্ডের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের নিয়মবহির্ভূত কাজে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে নদী ও সাগরে অবৈধ মৎস্য আহরণবিরোধী অভিযানের আগাম তথ্য টাকার বিনিময়ে অসাধু জেলেদের কাছে পৌঁছে দিতেন তিনি। এতে কোস্টগার্ডের নিয়মিত অভিযানগুলো বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল।
কোস্টগার্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, কালাম মিয়ার সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসার পর তাকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সংশোধনের পরিবর্তে তিনি তার অনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাচার ও অর্থ গ্রহণের সত্যতা মেলায় বাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষায় তাকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোস্টগার্ডের মতো সংবেদনশীল বাহিনীর স্বার্থ রক্ষা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে আর স্বপদে বহাল রাখা সম্ভব নয়।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. কালাম মিয়া তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রকৃত কারণ তার জানা নেই।
.png)
আপনার মতামত লিখুন