সার্চ টুডে

লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের



লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের
লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোবি মাইনুর জয়সূচক গোল। ছবি: সংগৃহীত দুই গোলের লিড হারিয়েও শেষ পর্যন্ত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলের বিপক্ষে জয় তুলে নিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রিমিয়ার লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে মাইকেল ক্যারিকের দল। এই জয়ে দুই বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরাও নিশ্চিত করেছে ইউনাইটেড। ঘরের মাঠে ইউনাইটেডকে জয়সূচক গোল এনে দেন কোবি মাইনু। ৭৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে তার নিচু শট জালে জড়ালে উল্লাসে ফেটে পড়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড। তিন দিন আগেই ক্লাবের সঙ্গে নতুন পাঁচ বছরের চুক্তি করেছিলেন একাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার। ম্যাচ শেষে মাইনু বলেন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করতে এটা আমাদের জন্য বড় গোল ছিল। তবে মৌসুম এখনো শেষ হয়নি, আমরা গতি কমাচ্ছি না। লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচ কখনো সহজ নয়, জয় নিয়ে বের হতে পেরে ভালো লাগছে।’ ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল ইউনাইটেড। ৬ মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। লিভারপুলের ক্লিয়ারেন্স ঠিকমতো না হওয়ায় বল পান কুনিয়া, তার জোরালো শট অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গায়ে লেগে জালে ঢোকে। ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেঞ্জামিন সেসকো। ব্রুনো ফার্নান্দেসের হেড ঠেকাতে গিয়ে বল সেসকোর শরীরে লাগিয়ে দেন লিভারপুলের বদলি গোলকিপার ফ্রেডি উডম্যান। বল জালে জড়ানোর পর সম্ভাব্য হ্যান্ডবল নিয়ে ভিএআর পরীক্ষা হলেও গোল বহাল থাকে। প্রথম ১৪ মিনিটেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। প্রিমিয়ার লিগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর এত দ্রুত দুই গোল হজম করেনি তারা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দ্রুত ম্যাচে ফেরে আর্নে স্লটের দল। ৪৭ মিনিটে মাঝমাঠে আমাদ দিয়ালো বল হারালে সেটি কাজে লাগান দমিনিক সোবসলাই। প্রায় অরক্ষিতভাবে এগিয়ে গিয়ে হ্যারি ম্যাগুয়্যারকে পেছনে ফেলে ডিয়োগো দালোতের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি। এর ৯ মিনিট পর সমতায় ফেরে লিভারপুল। ইউনাইটেড গোলকিপার সেনে লামেন্সের ভুল পাস থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার, সেখান থেকে কোডি গাকপো খালি জালে বল পাঠিয়ে স্কোর করেন ২-২। ম্যাচ তখন লিভারপুলের দিকে ঘুরে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ কথা বলেন মাইনু। ৭৭ মিনিটে তার গোলই ইউনাইটেডকে এনে দেয় মূল্যবান জয়। এই জয়ে ৩৫ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। একই সঙ্গে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলা নিশ্চিত করেছে তারা। অন্যদিকে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা লিভারপুলের এখনো ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার টিকিট নিশ্চিত হয়নি।

দুই গোলের লিড হারিয়েও শেষ পর্যন্ত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলের বিপক্ষে জয় তুলে নিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রিমিয়ার লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে মাইকেল ক্যারিকের দল। এই জয়ে দুই বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরাও নিশ্চিত করেছে ইউনাইটেড।

ঘরের মাঠে ইউনাইটেডকে জয়সূচক গোল এনে দেন কোবি মাইনু। ৭৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে তার নিচু শট জালে জড়ালে উল্লাসে ফেটে পড়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড। তিন দিন আগেই ক্লাবের সঙ্গে নতুন পাঁচ বছরের চুক্তি করেছিলেন একাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার।

ম্যাচ শেষে মাইনু বলেন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করতে এটা আমাদের জন্য বড় গোল ছিল। তবে মৌসুম এখনো শেষ হয়নি, আমরা গতি কমাচ্ছি না। লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচ কখনো সহজ নয়, জয় নিয়ে বের হতে পেরে ভালো লাগছে।’

ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল ইউনাইটেড। ৬ মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। লিভারপুলের ক্লিয়ারেন্স ঠিকমতো না হওয়ায় বল পান কুনিয়া, তার জোরালো শট অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গায়ে লেগে জালে ঢোকে।

১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেঞ্জামিন সেসকো। ব্রুনো ফার্নান্দেসের হেড ঠেকাতে গিয়ে বল সেসকোর শরীরে লাগিয়ে দেন লিভারপুলের বদলি গোলকিপার ফ্রেডি উডম্যান। বল জালে জড়ানোর পর সম্ভাব্য হ্যান্ডবল নিয়ে ভিএআর পরীক্ষা হলেও গোল বহাল থাকে।

প্রথম ১৪ মিনিটেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। প্রিমিয়ার লিগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর এত দ্রুত দুই গোল হজম করেনি তারা।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে দ্রুত ম্যাচে ফেরে আর্নে স্লটের দল। ৪৭ মিনিটে মাঝমাঠে আমাদ দিয়ালো বল হারালে সেটি কাজে লাগান দমিনিক সোবসলাই। প্রায় অরক্ষিতভাবে এগিয়ে গিয়ে হ্যারি ম্যাগুয়্যারকে পেছনে ফেলে ডিয়োগো দালোতের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

এর ৯ মিনিট পর সমতায় ফেরে লিভারপুল। ইউনাইটেড গোলকিপার সেনে লামেন্সের ভুল পাস থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার, সেখান থেকে কোডি গাকপো খালি জালে বল পাঠিয়ে স্কোর করেন ২-২।

ম্যাচ তখন লিভারপুলের দিকে ঘুরে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ কথা বলেন মাইনু। ৭৭ মিনিটে তার গোলই ইউনাইটেডকে এনে দেয় মূল্যবান জয়।

এই জয়ে ৩৫ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। একই সঙ্গে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলা নিশ্চিত করেছে তারা। অন্যদিকে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা লিভারপুলের এখনো ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার টিকিট নিশ্চিত হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

সার্চ টুডে

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

দুই গোলের লিড হারিয়েও শেষ পর্যন্ত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিভারপুলের বিপক্ষে জয় তুলে নিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রিমিয়ার লিগের রোমাঞ্চকর ম্যাচে লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে মাইকেল ক্যারিকের দল। এই জয়ে দুই বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরাও নিশ্চিত করেছে ইউনাইটেড।



ঘরের মাঠে ইউনাইটেডকে জয়সূচক গোল এনে দেন কোবি মাইনু। ৭৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে তার নিচু শট জালে জড়ালে উল্লাসে ফেটে পড়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড। তিন দিন আগেই ক্লাবের সঙ্গে নতুন পাঁচ বছরের চুক্তি করেছিলেন একাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডার।



ম্যাচ শেষে মাইনু বলেন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করতে এটা আমাদের জন্য বড় গোল ছিল। তবে মৌসুম এখনো শেষ হয়নি, আমরা গতি কমাচ্ছি না। লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচ কখনো সহজ নয়, জয় নিয়ে বের হতে পেরে ভালো লাগছে।’



ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল ইউনাইটেড। ৬ মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। লিভারপুলের ক্লিয়ারেন্স ঠিকমতো না হওয়ায় বল পান কুনিয়া, তার জোরালো শট অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গায়ে লেগে জালে ঢোকে।



১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেঞ্জামিন সেসকো। ব্রুনো ফার্নান্দেসের হেড ঠেকাতে গিয়ে বল সেসকোর শরীরে লাগিয়ে দেন লিভারপুলের বদলি গোলকিপার ফ্রেডি উডম্যান। বল জালে জড়ানোর পর সম্ভাব্য হ্যান্ডবল নিয়ে ভিএআর পরীক্ষা হলেও গোল বহাল থাকে।



প্রথম ১৪ মিনিটেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে লিভারপুল। প্রিমিয়ার লিগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর এত দ্রুত দুই গোল হজম করেনি তারা।



তবে দ্বিতীয়ার্ধে দ্রুত ম্যাচে ফেরে আর্নে স্লটের দল। ৪৭ মিনিটে মাঝমাঠে আমাদ দিয়ালো বল হারালে সেটি কাজে লাগান দমিনিক সোবসলাই। প্রায় অরক্ষিতভাবে এগিয়ে গিয়ে হ্যারি ম্যাগুয়্যারকে পেছনে ফেলে ডিয়োগো দালোতের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।



এর ৯ মিনিট পর সমতায় ফেরে লিভারপুল। ইউনাইটেড গোলকিপার সেনে লামেন্সের ভুল পাস থেকে বল পান ম্যাক অ্যালিস্টার, সেখান থেকে কোডি গাকপো খালি জালে বল পাঠিয়ে স্কোর করেন ২-২।



ম্যাচ তখন লিভারপুলের দিকে ঘুরে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ কথা বলেন মাইনু। ৭৭ মিনিটে তার গোলই ইউনাইটেডকে এনে দেয় মূল্যবান জয়।



এই জয়ে ৩৫ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। একই সঙ্গে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলা নিশ্চিত করেছে তারা। অন্যদিকে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা লিভারপুলের এখনো ইউরোপের সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতার টিকিট নিশ্চিত হয়নি।


সার্চ টুডে

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ তাজাম্মুল হোসেন
বার্তা সম্পাদক: মোঃ হুমায়ূন কবীর
লিগ্যাল এডভাইজার: সৌরভ গাঙ্গুলি
উপদেষ্টা: সাজ্জাদ আলম খান সজল

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত সার্চটুডে