গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি—উভয় প্রকার মুরগির দামই বেড়েছে। বিক্রেতাদের তথ্যমতে:
ব্রয়লার মুরগি: গত সপ্তাহে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হলেও আজ তা ২০০ টাকা কেজিতে দাঁড়িয়েছে।
সোনালি মুরগি: কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রায়ের বাজারের বিক্রেতা আনিস মিয়া জানান, ঈদের পর দাম কিছুটা কমলেও এই সপ্তাহে পাইকারি বাজারে দর বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের ব্যবসায়ী রমজান আলীর মতে, শুক্রবার বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান থাকায় চাহিদা বেশি থাকে, কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা চড়া।
গত সপ্তাহে ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিম আজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। তবে আকার ও মানভেদে দামে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে:
ব্রাউন ডিম (লাল): ১৫০ টাকা ডজন।
সাদা ডিম: ১৪০ টাকা ডজন।
বড় সাইজের ডিম: ১৬০ টাকা পর্যন্ত ডজন হাঁকছেন বিক্রেতারা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ঘাটতি এবং উৎসবের দিনগুলোতে বাড়তি চাহিদাই মূলত এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপণ্যের দামের এই লাগামহীন বৃদ্ধি তাদের মাসিক বাজেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
.png)
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার ও সোনালি—উভয় প্রকার মুরগির দামই বেড়েছে। বিক্রেতাদের তথ্যমতে:
ব্রয়লার মুরগি: গত সপ্তাহে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হলেও আজ তা ২০০ টাকা কেজিতে দাঁড়িয়েছে।
সোনালি মুরগি: কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রায়ের বাজারের বিক্রেতা আনিস মিয়া জানান, ঈদের পর দাম কিছুটা কমলেও এই সপ্তাহে পাইকারি বাজারে দর বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে। অন্যদিকে, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের ব্যবসায়ী রমজান আলীর মতে, শুক্রবার বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান থাকায় চাহিদা বেশি থাকে, কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা চড়া।
গত সপ্তাহে ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিম আজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। তবে আকার ও মানভেদে দামে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেছে:
ব্রাউন ডিম (লাল): ১৫০ টাকা ডজন।
সাদা ডিম: ১৪০ টাকা ডজন।
বড় সাইজের ডিম: ১৬০ টাকা পর্যন্ত ডজন হাঁকছেন বিক্রেতারা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ঘাটতি এবং উৎসবের দিনগুলোতে বাড়তি চাহিদাই মূলত এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, নিত্যপণ্যের দামের এই লাগামহীন বৃদ্ধি তাদের মাসিক বাজেটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন