বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ও তুরস্ক।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বেরিস একিনচির মধ্যে বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই দেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং কৌশলগত সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
তুর্কি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতিরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচিত হয়। উভয় পক্ষই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংলাপ, কূটনীতি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
কর্ডিয়াল ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশ ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এবং নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়।
.png)
রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ও তুরস্ক।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বেরিস একিনচির মধ্যে বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই দেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং কৌশলগত সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
তুর্কি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতিরও প্রশংসা করেন।
বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুও আলোচিত হয়। উভয় পক্ষই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংলাপ, কূটনীতি এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
কর্ডিয়াল ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশ ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে এবং নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়।
.png)
আপনার মতামত লিখুন