যশোর জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়ন এবং জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সভাকক্ষ ‘অমিতাক্ষর’-এ এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি সম্পন্ন হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ আশেক হাসান।
সভার শুরুতে জেলায় বর্তমানে চলমান বিভিন্ন মেগা প্রকল্পসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ তাদের নিজ নিজ প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, অর্থ বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং বাস্তবায়নকালীন চ্যালেঞ্জগুলো সভার সামনে তুলে ধরেন। সভায় প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে মানসম্মতভাবে শেষ করার ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কাজের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা বা সমন্বয়হীনতা না থাকে, সে বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত যশোরের পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি সরকারি সেবা নিশ্চিতকরণে পুলিশি তদারকি ও জনগণের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ আশেক হাসান কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কঠোর ও দিকনির্দেশনামূলক বার্তা প্রদান করেন। তিনি বলেন:"জেলার সার্বিক উন্নয়নকে দৃশ্যমান করতে হলে সকল দপ্তরকে একটি সুসংহত টিম হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রতিটি প্রকল্পের প্রতিটি টাকা যেন জনকল্যাণে সঠিকভাবে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে।"তিনি আরও যোগ করেন যে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে বা দায়িত্বে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
সভায় পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ছাড়াও সড়ক ও জনপথ বিভাগ, এলজিইডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সকল সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সরকারি সেবাকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়ন করে সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ যশোর গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভাটি সমাপ্ত হয়।
বিষয় : মাসিক সভা
.png)
রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
যশোর জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়ন এবং জনসেবার মানোন্নয়নের লক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী সভাকক্ষ ‘অমিতাক্ষর’-এ এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি সম্পন্ন হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যশোরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ আশেক হাসান।
সভার শুরুতে জেলায় বর্তমানে চলমান বিভিন্ন মেগা প্রকল্পসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ তাদের নিজ নিজ প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, অর্থ বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং বাস্তবায়নকালীন চ্যালেঞ্জগুলো সভার সামনে তুলে ধরেন। সভায় প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে মানসম্মতভাবে শেষ করার ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করা হয়।
জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কাজের ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের দীর্ঘসূত্রতা বা সমন্বয়হীনতা না থাকে, সে বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত যশোরের পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি সরকারি সেবা নিশ্চিতকরণে পুলিশি তদারকি ও জনগণের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ আশেক হাসান কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে কঠোর ও দিকনির্দেশনামূলক বার্তা প্রদান করেন। তিনি বলেন:"জেলার সার্বিক উন্নয়নকে দৃশ্যমান করতে হলে সকল দপ্তরকে একটি সুসংহত টিম হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রতিটি প্রকল্পের প্রতিটি টাকা যেন জনকল্যাণে সঠিকভাবে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি দপ্তরে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি রাখতে হবে।"তিনি আরও যোগ করেন যে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে বা দায়িত্বে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।
সভায় পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ছাড়াও সড়ক ও জনপথ বিভাগ, এলজিইডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ সকল সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সরকারি সেবাকে আরও গতিশীল ও আধুনিকায়ন করে সরাসরি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এবং একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ যশোর গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভাটি সমাপ্ত হয়।
.png)
আপনার মতামত লিখুন