রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী গ্রাম মস্তুল ও ডেলনা এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তির ওপর গড়ে ওঠা ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামার’কে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ জহিরুল ইসলাম কাউসার
অভিযুক্তরা হলেন মৃত লাইছ উদ্দিনের দুই ছেলে মোঃ রাকিব ও দুলাল।
ভুক্তভোগী খামারি কাউসার জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামার’ পরিচালনা করে আসছেন। কয়েক মাস আগে এলাকার মৃত লাইছ উদ্দিনের সন্ত্রাসী ছেলে রাকিব ও দুলাল তার কাছে খামার পরিচালনার জন্য মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা লোকজন নিয়ে খামারে প্রবেশ করে জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কাউসারের দাবি, এরপর থেকে বিভিন্ন সময় খামারের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া, কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও মারধর করা এবং খামারে প্রবেশ করলে তাকে হত্যা করে লাশ পানিতে ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, মৎস্য খামারের জন্য কাউসার নিজস্ব জমির পাশাপাশি আশপাশের কিছু জমি লিখিত চুক্তির মাধ্যমে ভাড়া নিয়েছেন। তবে অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে জমির মালিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চুক্তি বাতিলের চাপ সৃষ্টি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাকিব ও দুলালের বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজি, জমি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রাকিব বিএনপির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি এবং দুলাল ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর ইউনিটের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাকিবের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা কাউকে হুমকি বা চাঁদা দাবি করিনি।
ভুক্তভোগী কাউসার বর্তমানে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
.png)
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী গ্রাম মস্তুল ও ডেলনা এলাকায় পৈত্রিক সম্পত্তির ওপর গড়ে ওঠা ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামার’কে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খিলক্ষেত থানায় লিখিত অভিযোগ ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ জহিরুল ইসলাম কাউসার
অভিযুক্তরা হলেন মৃত লাইছ উদ্দিনের দুই ছেলে মোঃ রাকিব ও দুলাল।
ভুক্তভোগী খামারি কাউসার জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে ‘সবুজ বাংলা মৎস্য খামার’ পরিচালনা করে আসছেন। কয়েক মাস আগে এলাকার মৃত লাইছ উদ্দিনের সন্ত্রাসী ছেলে রাকিব ও দুলাল তার কাছে খামার পরিচালনার জন্য মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা লোকজন নিয়ে খামারে প্রবেশ করে জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কাউসারের দাবি, এরপর থেকে বিভিন্ন সময় খামারের কার্যক্রমে বাধা দেওয়া, কর্মচারীদের ভয়ভীতি ও মারধর করা এবং খামারে প্রবেশ করলে তাকে হত্যা করে লাশ পানিতে ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, মৎস্য খামারের জন্য কাউসার নিজস্ব জমির পাশাপাশি আশপাশের কিছু জমি লিখিত চুক্তির মাধ্যমে ভাড়া নিয়েছেন। তবে অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে জমির মালিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চুক্তি বাতিলের চাপ সৃষ্টি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত রাকিব ও দুলালের বিরুদ্ধে এর আগেও চাঁদাবাজি, জমি দখল ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া রাকিব বিএনপির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি এবং দুলাল ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর ইউনিটের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছেন তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাকিবের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা কাউকে হুমকি বা চাঁদা দাবি করিনি।
ভুক্তভোগী কাউসার বর্তমানে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন